সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে যে সব ধরনের মাছ পাওয়া যায়

সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে যে সব ধরনের মাছ পাওয়া যায়

দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে কম বেশি মাছ পাওয়া গেলেও সবচেয়ে বেশি পাওয়া যায় সুনামগঞ্জ অঞ্চলে। প্রায় এক হাজার বর্গময় দিন আমরা মাছ পাওয়া যায়। দেশের মোট ২৬ প্রজাতন্ত্রী মাসের মধ্যে শুধু পাওয়া যায়। দেশের চাহিদা পূরণ করে, এই জেলার মাছ বিশ্বের বিভিন্ন দেশে রপ্তানি করা হয়। সুনামগঞ্জের মৎস অফিস জানাই প্রতিবছর সুনামগঞ্জ থেকে হাওর ও নদীর প্রায় এক লাখ ছয় হাজার মেট্রিক টন বেশি প্রজাতির মাছ উৎপাদন করা হয়েছে। যা সকাল থেকে সন্ধ্যা পর্যন্ত খোলা থাকে বাজারে নিয়ে যাওয়া হয়।

টাঙ্গুয়ার হাওর
টাঙ্গুয়ার হাওর

১০ থেকে ১৫ কেজি ওজনের গজাল আবদার করি সে টেংরা চুল পর্যন্ত আশেপাশের মানুষরা মাছ দেখতে এখানে আসে এবং এখান থেকে এরা পাইকারি দামি মাছ নিয়ে যায়।  এভাবে টানা মার্চ মাস পর্যন্ত মিলিয়ে মাছ বিক্রি কার্যক্রমে চলে।
তিন বছর পর পর প্রাকৃতিকভাবে পরিচর্যা করে। মাছ ধরা হয় সুনামগঞ্জের মাছ খেতে সুস্বাদু হওয়ায় এর চাহিদায় দেশে-বিদেশে রয়েছে। এ মাসে নববর্ষের দেশের সব জেলা প্রাথমিকভাবে প্রতিভার মাছ ধরার সময় হাওড়া নির্দিষ্ট অস্থায়ী জায়গাতে বসতি করে।

টাঙ্গুয়ার হাওর
টাঙ্গুয়ার হাওর

মন্ডল বললেন এক জায়গায় একসঙ্গে এত পরিমাণ সংখ্যক মাছ আর বাংলাদেশের কোথাও দেখা যায় না। রপ্তানি করা হয়ে থাকে। সচেতন থাকতে হবে কিছু অসাধু তারাই বিভিন্ন থাকে। এই কারণে এখন সম্পদ প্রায় মূর্তি এক যুগে কাজ করতে হবে।
আমরা যদি সচেতন হতে না হই তাহলে আমাদের  ভবিষ্যৎ প্রজন্মের আর মাছ খেতে পারবেনা।

ঢাকাতে কি সিলেটে বিভিন্ন উপায়ে যাওয়া যায় সাধারণত বাস বিমানে আপনি যেতে পারেন। মহাখালী সায়েদাবাদ ফকিরাফুল থেকে এসে আলম, সৌদিয়া, শ্যামলী ও গ্রীন লাইন যেতে পারেন। এর ভাড়া বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে ।সাধারণত এসি ১২০০ থেকে ১৪০০ টাকা আর নন এসি বাস ৫০০ থেকে ৭৫০ টাকার মতো ভাড়া হয়ে থাকে আপনি যদি ঢাকা থেকে খুব কম সময়ে এবং আনন্দের একটি পরিবারে যেতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই বিমান বা এরোপ্লেন নিয়ে যেতে হবে। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সিলেট বিমান উদ্দেশ্যে বিভিন্ন বিমান চলে আসে। এই বিমানে সাধারণত ভাড়া ৩,৫০০ থেকে ১০,০০০ টাকা মূল্যের হয় থাকে।

শাহপরান(রঃ) মাজার

ঢাকার মতই চট্টগ্রাম থেকে সিলেটে আসার পথ একই রকম। আপনি যদি চট্টগ্রাম থেকে ট্রেনে সিলেট আসতে চান ,তাহলে উদয়ন এক্সপ্রেস বা পাহাড়িকা প্রতি সপ্তাহে ছয় দিন চলাচল করে অথবা আপনি বিমানে আসতে পারেন । 

  সিলেটের হোটেলগুলো মাজার এলাকার আশেপাশে ,বন্ধর, অম্বর খানা এসব এলাকায় উপস্থিত। হোটেলের কোয়ালিটি এর প্রতি সিট ভাড়া ৫০০ থেকে ১০ হাজার টাকার মধ্যে হয়ে থাকে।  আপনি যদি আরো ভালো কোয়ালিটির হোটেল তিরিশ হাজার টাকা পর্যন্ত ভাড়া হয়ে থাকে। আপনি যদি জাফলং থাকতে চান তাহলে মামার বাজার এলাকায় বেশ কিছু হোটেল রয়েছে। এগুলোতে সুলভ মূল্যে আপনি রাত কাটাতে পারেন। সুনামগঞ্জে থাকতে চাইলে সেখানে কিছু ভালমানের হোটেল রয়েছে।

আর সেখানে সরকারি রেস্ট হাউজ রয়েছে যেগুলোতে আপনাকে থাকতে হলে পড়বে অবশ্যই অনুমতি নিতে হবে। 

লক্ষনছড়া ঝর্ণা

 জাফলং এর দর্শনীয় স্থান গুলোর মধ্যে রয়েছে-

  •  তামাবিল
  •  লালা খাল
  •  সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা/ মায়াবী ঝর্ণা 
  •  জৈন্তাপুর
  •  ডিবির হাওরের শাপলা বিল
  •  সংগ্রামপুঞ্জির চা বাগান
  • পান্থুমাই ঝর্ণা
  1. কোন কিছু কিনতে হলে অবশ্যই ভালো করে দরদাম জেনে দামোদামি করে নিবেন।
  2.  গাড়ি ভাড়া করার সময় প্রকৃত ভাড়া জেনে নিবেন। 
  3. কিছু খেতে চাইলে পড়বে দাম জেনে নিবেন।
  4.  দলবেঁধে গেলে ভালো হয় আপনার খরচ কমে যাবে।
  5.  পানিতে নামার সময় সতর্ক থাকুন যদি সাতার জানেন তাহলে নামবেন না হয় ভালো।
  6.  স্থানীয় লোকদের সাথে ভালো আচরণ করুন তাহলে তারা আপনাকে সহযোগিতা মূলক আচরণ করবে।
  7. সিলেটের এর ক্ষতি হয় অথবা প্রকৃতির ক্ষতি হয় এমন কাজ করা থেকে বিরত থাকুন। 

 সিলেটের প্রাচীন নিদর্শন আলী আমজদের ঘড়ি

13 thoughts on “সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে যে সব ধরনের মাছ পাওয়া যায়

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *