লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানঃ

সিলেটের মৌলভীবাজার বাজার জেলার দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে কবি আকর্ষণীয় একটি স্থান হচ্ছে লাউছড়া জাতীয় উদ্যান। এই উদ্যানটিকে বাংলাদেশ সরকার 1996 সালের 7 জুলাই জাতীয় উদ্যান হিসেবে ঘোষণা করে। লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান মৌলভীবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলায় উপস্থিত।  শ্রীমঙ্গল থেকে লাউয়াছড়া উদ্যানের দূরত্ব ৯.৪ কিলোমিটার।

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান

এই  উদ্যানের মোট আয়তন ১২.৫ কিলোমিটার। কয়েক বছর আগে জাতীয় উদ্যানটি পশ্চিম ভানুগাছ রিজার্ভ ফরেস্টের অন্তর্ভুক্ত। জাতীয় উদ্যান হচ্ছে বাংলাদেশের সর্ববৃহৎ রেইন ফরেস্ট। এই ফরেস্টে প্রায় 460 প্রজাতির জীববঠিত রয়েছে। জীব বৈচিত্রের মধ্যে ১৬৭ প্রজাতির গাছ, ৪ প্রজাতির উভয়চর প্রাণী, ৬ প্রজাতির সরীসৃপ প্রাণী, ২০ প্রজাতির স্তন্যপায়ী প্রাণী এবং ২৪৬ প্রজাতির পাখি রয়েছে। এখানে সবচেয়ে আকর্ষণীয় হচ্ছে অনেক পুরনো এবং বড় বড় গাছ দেখা যায়। 

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান

বিভিন্ন প্রজাতির বানর এবং হনুমান এখানে আপনি দেখতে পাবেন।  এটি সংরক্ষিত বন হওয়ায় এটা কি সব সময় পরিষ্কার পরিচ্ছন্নতার দিকে খুবই গুরুত্ব দেওয়া হয়। 

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে যাওয়ার উপায়

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যানে লেকে যেতে হলে প্রথমে আপনাকে যেতে হবে সিলেটে। সিলেট থেকে মৌলভীবাজার এবং মৌলভী বাজার থেকে মাধবপুর।

ঢাকাতে কি সিলেটে বিভিন্ন উপায়ে যাওয়া যায় সাধারণত বাস বিমানে আপনি যেতে পারেন। মহাখালী সায়েদাবাদ ফকিরাফুল থেকে এসে আলম, সৌদিয়া, শ্যামলী ও গ্রীন লাইন যেতে পারেন। এর ভাড়া বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে ।সাধারণত এসি ১২০০ থেকে ১৪০০ টাকা আর নন এসি বাস ৫০০ থেকে ৭৫০ টাকার মতো ভাড়া হয়ে থাকে আপনি যদি ঢাকা থেকে খুব কম সময়ে এবং আনন্দের একটি পরিবারে যেতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই বিমান বা এরোপ্লেন নিয়ে যেতে হবে। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সিলেট বিমান উদ্দেশ্যে বিভিন্ন বিমান চলে আসে। এই বিমানে সাধারণত ভাড়া ৩,৫০০ থেকে ১০,০০০ টাকা মূল্যের হয় থাকে।

শাহপরান(রঃ) মাজার

ঢাকার মতই চট্টগ্রাম থেকে সিলেটে আসার পথ একই রকম। আপনি যদি চট্টগ্রাম থেকে ট্রেনে সিলেট আসতে চান ,তাহলে উদয়ন এক্সপ্রেস বা পাহাড়িকা প্রতি সপ্তাহে ছয় দিন চলাচল করে অথবা আপনি বিমানে আসতে পারেন ।

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান
লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান

লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান গেলে কোথায় থাকবেন

  সিলেটের হোটেলগুলো মাজার এলাকার আশেপাশে ,বন্ধর, অম্বর খানা এসব এলাকায় উপস্থিত। হোটেলের কোয়ালিটি এর প্রতি সিট ভাড়া ৫০০ থেকে ১০ হাজার টাকার মধ্যে হয়ে থাকে।  আপনি যদি আরো ভালো কোয়ালিটির হোটেল তিরিশ হাজার টাকা পর্যন্ত ভাড়া হয়ে থাকে। আপনি যদি জাফলং থাকতে চান তাহলে মামার বাজার এলাকায় বেশ কিছু হোটেল রয়েছে। এগুলোতে সুলভ মূল্যে আপনি রাত কাটাতে পারেন। সুনামগঞ্জে থাকতে চাইলে সেখানে কিছু ভালমানের হোটেল রয়েছে।

আর সেখানে সরকারি রেস্ট হাউজ রয়েছে যেগুলোতে আপনাকে থাকতে হলে পড়বে অবশ্যই অনুমতি নিতে হবে। 

লক্ষনছড়া ঝর্ণা

 দর্শনীয় স্থান

 জাফলং এর দর্শনীয় স্থান গুলোর মধ্যে রয়েছে-

  •  তামাবিল
  •  লালা খাল
  •  সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা/ মায়াবী ঝর্ণা 
  •  জৈন্তাপুর
  •  ডিবির হাওরের শাপলা বিল
  •  সংগ্রামপুঞ্জির চা বাগান
  • পান্থুমাই ঝর্ণা

০১। কোন কিছু কিনতে হলে অবশ্যই ভালো করে দরদাম জেনে দামোদামি করে নিবেন।

০২।  গাড়ি ভাড়া করার সময় প্রকৃত ভাড়া জেনে নিবেন। 

০৩। কিছু খেতে চাইলে পড়বে দাম জেনে নিবেন।

০৪।  দলবেঁধে গেলে ভালো হয় আপনার খরচ কমে যাবে।

০৫। পানিতে নামার সময় সতর্ক থাকুন যদি সাতার জানেন তাহলে নামবেন না হয় ভালো।

০৬। স্থানীয় লোকদের সাথে ভালো আচরণ করুন তাহলে তারা আপনাকে সহযোগিতা মূলক আচরণ করবে।

০৭। সিলেটের এর ক্ষতি হয় অথবা প্রকৃতির ক্ষতি হয় এমন কাজ করা থেকে বিরত থাকুন। 

 সিলেটের প্রাচীন নিদর্শন আলী আমজদের ঘড়ি

সিলেটের প্রাচীন নিদর্শন আলী আমজদের ঘড়ি

পান্থুমাই ঝর্ণা

লক্ষনছড়া ঝর্ণা

শাহপরান(রঃ) মাজার

সিলেটের বিছনাকান্দিতে কিভাবে ভ্রমন করবেন

সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে যে সব ধরনের মাছ পাওয়া আয়।

সুনামগঞ্জের লাল কার্ড ঝরণাটি কিভাবে দেখেতে যাবেন।

সুৃনামগঞ্জের বডার হাট কখন ও কোথায় বসে

One thought on “লাউয়াছড়া জাতীয় উদ্যান

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *