প্রতিদিন কি কি ব্যায়াম করা উচিত

Table of Contents

ব্যায়াম

ব্যায়াম হচ্ছে একটি গুরুত্বপূর্ণ বিষয় যা মানুষের স্বাস্থ্য কে উন্নত করতে পারে এবং বিভিন্ন রোগ প্রতিরোধ ক্ষমতা বাড়াতে পারে। এটি  শারীরিক ক্ষমতা মানসিক স্বাস্থ্য এবং সামাজিক স্বাস্থ্য স্তর বজর একটি সাহায্য করে। 

কিছু গুরুত্বপূর্ণ ব্যায়ামঃ

০১। চলাচল বা হাঁটাচলাঃ প্রতিদিন নির্দিষ্ট সময় দিয়ে হাঁটার চলা বা চলাচল করতে হয়।  এটি হৃদয় মাংসপেশী এবং স্বাস্থ্য ক্ষমতা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে। 

০২ । ব্যায়াম ক্লাসঃ  যোগাযোগপূর্ণ ব্যায়াম ক্লাস যেমন যুগ পাইলেটিস জিম কাজ ইত্যাদি অনুষ্ঠিত করতে হয়।

০৩। যৌবন্য ব্যায়ামঃ  বিভিন্ন বয়সের মানুষের জন্য উপযুক্ত ব্যায়াম করতে হয়।এমনকি জঘন্য হোয়াইট করা যায়। 

ব্যায়াম
ব্যায়াম

০৪। যোগাযোগপূর্ণ খেলাধুলাঃ   ফুটবল, টেনিস ইত্যাদি খেলাধুলা অভ্যন্তরে একটি অফিসিয়াল ব্যায়ামের মাধ্যমে হৃদয়ে মাংসপেশী এবং  শারীরিকভাবে উন্নত হতে পারে।

ব্যায়াম একটি প্রাকৃতিক রূপ প্রতিরোধ মাধ্যম হিসেবে কাজ করতে পারে।  কারণ এটি শারীরিক ক্ষমতা ও প্রতিরোধ ক্ষমতা উন্নত করতে সাহায্য করতে পারি এবং অভ্যন্তরে গুরুত্বপূর্ণ বিষয়ে বিকাশ করতে সাহায্য করতে পারে। তবে যদি কেউ কোন ধরনের চিকিৎসা নিতে হয়, তাহলে তাদেরকে অবশ্যই ডাক্তারের পরামর্শ নিতে হবে। 

০১। ব্যায়াম স্মরণ শক্তি বাড়ায়

 ব্যায়াম সংশক্তি বাড়ানোর জন্য এটি একটি অভ্যন্তরীণ এবং বাহিরের প্রক্রিয়ার একটি সমন্বীকরণ প্রক্রিয়া হতে পারে এটি আপনার শারীরিক সাহায্য করতে পারে এবং মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি করতে সাহায্য করতে পারে

 শক্তি বাড়াতে সাহায্য করতে পারে

০১। আয়ামার ব্যায়ামঃ  আয় আমার ব্যায়ামের মাধ্যমে আপনি শারীরিক সাহায্য বাড়াতে পারেন এবং সহনশক্তি বাড়াতে সাহায্য করতে পারেন এটি মাংসির সৃষ্টি হৃদয় স্বাস্থ্য ও শ্বাসকষ্ট সৃষ্টি সাহায্য করতে পারে।

০২। ব্যায়াম ও যোগাযোগ প্রণোবিয়ামঃ  মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত করতে ধ্যান এবং যোগাযোগ করতে পারেন ধ্যানের মাধ্যমে মানসিক শান্তি ও সংশক্তি বাড়ানোর যায়।

ব্যায়াম নিজেকে পেশ করুনঃ নিজেকে উন্নত করার জন্য আত্মমুখিক সংশক্তি ভারতীয় নিজেকে প্রেস করা হলে একে বুদ্ধি হতে সাহায্য করতে পারে।

 স্মরণ শক্তি বাড়ানোর জন্য নিয়মিত ব্যায়াম করার গুরুত্বপূর্ণ তবে এদের একটি ব্যবস্থাপনা করা গুরুত্বপূর্ণ। 

ব্যায়াম
ব্যায়াম

০৩। ব্যায়াম মনকে চাঙ্গা করে

ব্যায়ামের মাধ্যমে বিভিন্ন ক্ষতিকর  পদার্থ শরীর থেকে বের হয়ে যায়।  এতে শরীর চাঙ্গা ভাব বজায় থাকে। ব্যায়ামের মাধ্যমে মস্তিষ্ক হতে বিভিন্ন রাসায়নিক পদার্থ নির্গত হয়। এসব রাসায়নিক পদার্থ মনকে সতেজ করে তুলে।  তাছাড়া যারা নিয়মিত ব্যায়াম করে তাদেরকে হতাশা চিন্তা কখনো গ্রাস করতে পারে না।

০৪। ব্যায়াম ওজন কমায় 

 ব্যায়াম করার মাধ্যমে শরীর হতে বিভিন্ন ক্ষতিকর পদার্থ গ্রামের সাহায্যে বের হয়ে যায়।  এর মাধ্যমে মানুষের বাড়তি ওজন ও মেদ কমাতে সাহায্য করে।  মানুষের ওজন কমাতে এর কোন বিকল্প নেই।  আমাদের উচিত নিয়মিত প্রতিদিন ব্যায়াম করা। এর মাধ্যমে শরীরের অতিরিক্ত ক্যালরি খরচ হয় যাতে করে মানুষের ফিটনেস ঠিক থাকে। 

০৫। ব্যায়াম করলে শক্তি বাড়ে 

ব্যায়ামের মাধ্যমে শরীরের মাংসপেশির সতেজ হয় এবং বেশির গঠন অত্যন্ত দৃঢ় হয়।  ব্যায়ামকারী মানুষের দেহের গঠন দেখি বোঝা যায় সে কতটুকু শক্তি শালী একটি শক্তি অর্জনের জন্য অবশ্যই বিয়াম করতে হবে।  এটা করার মাধ্যমে মানুষের হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়, প্রতিরোধ ক্ষমতা বৃদ্ধি পায়, হজম শক্তি বৃদ্ধি পায়, একজন মানুষ সহজে সতেজ হয়ে ওঠে।

 ০৬। ব্যায়াম করলে কাজের প্রতি আগ্রহ  বাড়ে

 বিয়ামের মাধ্যমে কাজের প্রতি মনোযোগী হওয়া যায়।  মনুষ শারীরিকভাবে সুস্থ থাকলে কাজের প্রতি মনোযোগ বাড়ে।  মনকে প্রফুল্ল রাখতে এবং কাজের প্রতি মনোযোগ বাড়ানোর জন্য গ্রামের কোন বিকল্প নাই।  একজন সুস্থ দেহের মানুষ সহজে কাজের প্রতি আসক্ত হতে পারে যা মানুষের পক্ষে কখনো সম্ভব নয়।  তাই বলা হয়ে থাকে সুস্থ দেহ সুন্দর মন।

ব্যায়াম
ব্যায়াম

০৭। ব্যায়াম ঘুমের সহায়ক

 ঘুম বিষয়টা অনেকটা শারীরিক ক্লান্তির উপর নির্ভর করে।  তাছাড়া মানসিক প্রশান্তির উপরে এটা অনেকটা নির্ভর করে।  আমাদের শরীরে ক্লান্তি আসলে তাহলে ঘুমের ভাব তৈরি হয় এবং আমাদের  ঘুমাতে ইচ্ছে করে। যাদের ঘুম আসে না তারা ঘুমের জন্য ব্যায়াম প্র্যাকটিস করতে পারে।  ঘুমের সাথে প্রেমের একটি সম্পর্ক রয়েছে।  ব্যায়াম করার কারণে  শরীর ক্লান্ত ও দুর্বল হয়ে পড়ে।

জীবনকে যদি সুস্থ ও সুন্দর করতে চান তাহলে অবশ্যই আপনি আজ থেকে ব্যায়ামের প্রতি মনোযোগী হন।  সুস্থ দেহ সুন্দর মন পেতে হলে অবশ্যই প্রত্যেকের উচিত নিয়মিত ব্যায়াম করা।  ব্যায়াম করার জন্য একজন বিশেষজ্ঞের পরামর্শ নিয়ে করলে ভালো হয়।  তাতে করে কোন ধরনের দুর্ঘটনার হওয়ার সম্ভাবনা থাকে না।  দুর্ঘটনা এড়ানোর জন্য প্রত্যেকের উচিত একজন বিশেষজ্ঞের সাথে পরামর্শ করে ব্যায়াম পরিচালনা করা  অথবা কোন স্বীকৃত প্রতিষ্ঠানে গিয়ে ব্যায়াম করা ।

শারীরিক শিক্ষা কাকে বলে

খেলাধুলা

দার্জিলিং

তাজমহল

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *