দেব জমিদার বাড়ি

দেব জমিদার বাড়ি

সিলেটের দর্শনীয় স্থান গুলোর মধ্যে দেব জমিদার বাড়ি অন্যতম। দেব জমিদার বাড়ি হবিগঞ্জ জেলার মাধবপুর উপজেলার চান্দুরা গ্রামে উপস্থিত একটি ঐতিহাসিক স্থান। এই জমিদার বাড়ি নামে সবার কাছে দেব জমিদার বাড়ি পরিচিত।  দেব জমিদার বাড়িটি প্রতিষ্ঠা করেছিলেন জমিদার রাজেন্দ্র চন্দ্র দেব। । জমিদার বাড়ি সবার নিকট দেব বাড়ি হিসেবে পরিচিত। দেব জমিদার ফ্রিটি ব্রিটিশ আমলে প্রতিষ্ঠিত হয়েছে কিন্তু এর কোন নির্দিষ্ট সাল জানা যায়নি কোন সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল।  এই জমিদার বাড়ি প্রতিষ্ঠাতা হচ্ছেন ব্রজেন্দ্র চন্দ্র দেব। এই জমিদার কারো জমির উপর দিয়ে চলাচল করতেন না। 

দেব জমিদার বাড়ি
দেব জমিদার বাড়ি

তিনি তার নিজের জমির উপর চলাচল করতেন।  তিনি সকল প্রজাদেরকে খুবই ভালোবাসতেন।  এই জমিদার ব্রিটিশদের বিরুদ্ধে আন্দোলন শুরু করেন। ব্রিটিশদের হাতে গ্রেফতার হওয়া এড়াতে তিনি হবিগঞ্জ জেলার অন্তর্গত মাধবপুর উপজেলার আন্ধিওড়া ইউনিয়নে আত্মগোপন করেন। আত্মগোপন থাকা অবস্থায় তিনি সেখানে স্থায়ীভাবে বসবাস শুরু করেন এবং পরবর্তীতে এখানে তার জমিদারিত্ব লাভ করেন। তার মৃত্যুর পর তার জমিদারি তো বংশ পরম্পরায় চলতে থাকে। এই জমিদার বাড়িটি খালে পরম্পরায় মানুষের মুখে শুনাম লাভ করেছে যা এখন পর্যন্ত মানুষের মুখোমুখি বিদ্যমান আছে।

দেব জমিদার বাড়ি
দেব জমিদার বাড়ি

এই জমিদারের পূর্বসূরীরা ছিলেন হিন্দু ধর্মালম্বী। বর্তমান সময়েও এই জমিদারদের বংশধরেরা আছেন যারা এখন সরকারি বিভিন্ন উচ্চ পর্যায়ের কর্মকর্তা হিসেবে দায়িত্বপ্রাপ্ত আছেন।  ঘটলেও তাদের কাজ করার মাধ্যমে এখনো তাদের জমিদারিত্ব বোঝায় রয়েছে। 

বিভিন্ন তথ্য সূত্র থেকে জমির দাগ দের বংশধরদের মধ্যে কয়েকজনের নাম পাওয়া যায়। এই জমিদারির প্রতিষ্ঠাতা জমিদার রাজেন্দ্র চন্দ্র দেব তিনি ছিলেন এক সন্তানের পিতা।  যার ছেলের নাম ছিল রাজকুমার চন্দ্র দেব। রাজকুমার চন্দ্র ছিলেন তিন সন্তানের পিতা। 

ঢাকাতে কি সিলেটে বিভিন্ন উপায়ে যাওয়া যায় সাধারণত বাস বিমানে আপনি যেতে পারেন। মহাখালী সায়েদাবাদ ফকিরাফুল থেকে এসে আলম, সৌদিয়া, শ্যামলী ও গ্রীন লাইন যেতে পারেন। এর ভাড়া বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে ।সাধারণত এসি ১২০০ থেকে ১৪০০ টাকা আর নন এসি বাস ৫০০ থেকে ৭৫০ টাকার মতো ভাড়া হয়ে থাকে আপনি যদি ঢাকা থেকে খুব কম সময়ে এবং আনন্দের একটি পরিবারে যেতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই বিমান বা এরোপ্লেন নিয়ে যেতে হবে। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সিলেট বিমান উদ্দেশ্যে বিভিন্ন বিমান চলে আসে। এই বিমানে সাধারণত ভাড়া ৩,৫০০ থেকে ১০,০০০ টাকা মূল্যের হয় থাকে।

শাহপরান(রঃ) মাজার

ঢাকার মতই চট্টগ্রাম থেকে সিলেটে আসার পথ একই রকম। আপনি যদি চট্টগ্রাম থেকে ট্রেনে সিলেট আসতে চান ,তাহলে উদয়ন এক্সপ্রেস বা পাহাড়িকা প্রতি সপ্তাহে ছয় দিন চলাচল করে অথবা আপনি বিমানে আসতে পারেন ।

মাধবকুন্ড জলপ্রপাত
দেব জমিদার বাড়ি

 

দেব জমিদার বাড়ি গেলে কোথায় থাকবেনঃ

  সিলেটের হোটেলগুলো মাজার এলাকার আশেপাশে ,বন্ধর, অম্বর খানা এসব এলাকায় উপস্থিত। হোটেলের কোয়ালিটি এর প্রতি সিট ভাড়া ৫০০ থেকে ১০ হাজার টাকার মধ্যে হয়ে থাকে।  আপনি যদি আরো ভালো কোয়ালিটির হোটেল তিরিশ হাজার টাকা পর্যন্ত ভাড়া হয়ে থাকে। আপনি যদি জাফলং থাকতে চান তাহলে মামার বাজার এলাকায় বেশ কিছু হোটেল রয়েছে। এগুলোতে সুলভ মূল্যে আপনি রাত কাটাতে পারেন। সুনামগঞ্জে থাকতে চাইলে সেখানে কিছু ভালমানের হোটেল রয়েছে।

আর সেখানে সরকারি রেস্ট হাউজ রয়েছে যেগুলোতে আপনাকে থাকতে হলে পড়বে অবশ্যই অনুমতি নিতে হবে। 

লক্ষনছড়া ঝর্ণা

 

দর্শনীয় স্থান গুলোর মধ্যে রয়েছে-

০১। তামাবিল

০২। লালা খাল

০৩। সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা/ মায়াবী ঝর্ণা 

০৪। জৈন্তাপুর

০৫। ডিবির হাওরের শাপলা বিল

০৬। সংগ্রামপুঞ্জির চা বাগান

পান্থুমাই ঝর্ণা

 যে বিষয়গুলো অবশ্যই আপনার মাথায় রাখতে হবে 

০১। কোন কিছু কিনতে হলে অবশ্যই ভালো করে দরদাম জেনে দামোদামি করে নিবেন।

০২। গাড়ি ভাড়া করার সময় প্রকৃত ভাড়া জেনে নিবেন। 

০৩। কিছু খেতে চাইলে পড়বে দাম জেনে নিবেন।

০৪। দলবেঁধে গেলে ভালো হয় আপনার খরচ কমে যাবে।

০৫। পানিতে নামার সময় সতর্ক থাকুন যদি সাতার জানেন তাহলে নামবেন না হয় ভালো।

০৬। স্থানীয় লোকদের সাথে ভালো আচরণ করুন তাহলে তারা আপনাকে সহযোগিতা মূলক আচরণ করবে।

০৭। সিলেটের এর ক্ষতি হয় অথবা প্রকৃতির ক্ষতি হয় এমন কাজ করা থেকে বিরত থাকুন। 

 সিলেটের প্রাচীন নিদর্শন আলী আমজদের ঘড়ি

পান্থুমাই ঝর্ণা

লক্ষনছড়া ঝর্ণা

শাহপরান(রঃ) মাজার

সিলেটের বিছনাকান্দিতে কিভাবে ভ্রমন করবেন

সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে যে সব ধরনের মাছ পাওয়া আয়।

সুনামগঞ্জের লাল কার্ড ঝরণাটি কিভাবে দেখেতে যাবেন।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *