দিনের কোন কোন সময় ব্যায়াম করা উচিত

সকালের ব্যায়াম

দিনের কোন কোন সময় ব্যায়াম করা উচিত
দিনের কোন কোন সময় ব্যায়াম করা উচিত

সকালের ব্যায়াম করে কি ভালো অভ্যাস। এটি অভ্যন্তরীণ স্বাস্থ্য অনুভূতি সহকারে সুস্থ ও স্বাক্ষর ভুক্ত জীবনের জন্য গুরুত্বপূর্ণ। সকালে ব্যায়াম করলে মানসিক স্বাস্থ্য ও শারীরিক স্বাস্থ্য উন্নত হয় এবং দিনটি খুব ভালো কাটে।

০১। সকালে ঘুম থেকে উঠার পরে ব্যায়ামঃ  সকালে উঠার পর শারীরিক শক্তি অধিক থাকে এবং ব্যায়ামের জন্য ইচ্ছা থাকে।

০২।  নিজের উপকরণ অনুভূত করাঃ  যে ধরনের ব্যায়াম আপনার কাছে শহীদ সেটি বেছে নিতে গুরুত্বপূর্ণ।  ব্যায়ামের রুটিন যেমন হেলথ  জগ সহ কিছু ব্যায়ামের প্রকারের মধ্যে মধ্যে থাকতে পারে।

০৩। ব্যায়ামের ধরন বদলানঃ  বিরুপ্তির মুখে যেমন ব্যায়ামের ধরন বদলে দেওয়া ভালো, তার মাধ্যমে মনোবল বৃদ্ধি পেতে পারে।

০৪। সংগীত বা পড়াশোনাঃ  কিছু সময় সংগীত শোনা বা পড়াশুনা করা ব্যায়ামের সময় মনোবল বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।

 ০৫। দুর্বল শরীরের জন্য সহজ ব্যায়ামঃ যারা শারীরিকভাবে দুর্বল তাদের জন্য সহজ ব্যায়াম বেছে নেওয়া গুরুত্বপূর্ণ।  উদাহরণস্বরূপ হাটা বা স্বপ্ন বার জন্য একটি পর্যাপ্ত উচ্চতা কলম্বিয়ার দেওয়া সহজ ব্যায়াম হতে পারে। 

সকালে ব্যায়াম ব্যবস্থাপনা করতে মনোযোগ দিতে এবং এটি নিজের দৈহিক ও মানসিক স্বাস্থ্যের উন্নতি জন্য একটি সুস্থ রুটিন হিসেবে অন্তর্ভুক্ত করতে অনুরোধ করা হচ্ছে।

বিকালের ব্যায়াম

দিনের কোন কোন সময় ব্যায়াম করা উচিত
দিনের কোন কোন সময় ব্যায়াম করা উচিত

 বিকালে ব্যায়াম করা ও সুস্থ জীবনযাত্রায় গুরুত্বপূর্ণ একটি অংশ হতে পারে।  বিকালে ব্যায়াম করা হলে দিনের শেষে কোন গুলি প্রোডাক্টিভিটি ভারতের সাহায্য করতে পারে এবং দিনটি স্বাস্থ্যকর এর মাধ্যমে শেষ হতে পারে।

 বিকালে ব্যায়ামের জন্য কিছু উপস্থাপনা

০১। কেসওয়াল হাটাঃ  বিকালে একটি ক্যাসুয়াল হাঁটার খুব ভালো ব্যায়াম হতে পারে।  এটি শারীরিক ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে এবং মানসিক শান্তি সাধনের সাহায্য পেতে পারে।

০২।যুগে যুগে ব্যায়ামঃ  একজন বন্ধু বা পরিবারের সদস্যের সাথে যোগাযোগে ব্যায়াম করা একটি সুস্থ পদক্ষেপ হতে পারে।  টেনিস ব্যাডমিন্টন ক্রিকেট বা ফুটবল খেলা হতে পারে যা আপনার শারীরিক ক্ষমতা বাড়াতে সাহায্য করতে পারবেন আপনি একটি দুর্বল বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।

০৩। জমি বা স্টেপারবিয়ামঃ  জমি বা স্টেপার ব্যায়ামের মাধ্যমে আপনি আপনার রিধুকে সুস্থ রাখতে এবং শারীরিক ক্ষমতা বাড়াতে পারেন।

০৪।  যোগাযোগের ব্যায়ামঃ বিকালে একজন বন্ধু বা পরিবারের সদস্যের সাথে যোগাযোগ ব্যায়াম করা একটি সুস্থ পদক্ষেপ হতে পারে।  এটি সোশ্যাল একশন বা বন্ধুত্ব ঘড়িতে সাহায্য করতে পারে এবং আপনি ব্যায়ামে আগ্রহী থাকতে সাহায্য করতে পারে। 

যে কোন ব্যায়ামে পূর্বে, আপনি নিজেকে একটি ব্যক্তিগত লক্ষ স্থাপন করতে পারেন এবং যদি আপনি কোন নিজের সাথে নিজেকে সম্পর্কিত ব্যক্তিগত রোগ বৃদ্ধির লক্ষ্যের দিকে এগিয়ে যেতে চান, তবে এটি একটি উপযুক্ত প্রস্তুতি হতে পারে।

সন্ধ্যার ব্যায়াম

দিনের কোন কোন সময় ব্যায়াম করা উচিত
দিনের কোন কোন সময় ব্যায়াম করা উচিত

 সন্ধ্যার সময় ব্যায়াম করে ভালো আদত যা আপনার দিনটি পর্যাপ্ত হতে সাহায্য করতে পারি এবং শারীরিক ও মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে। সুন্দর ব্যায়াম আপনার শাড়ির শরীরের উচ্চ শক্তির স্তর বাড়াতে সাহায্য করতে পারে এবং আপনার নিজেকে শান্তিপূর্ণ এবং আত্মসমর্থন অনুভূতি করতে সাহায্য করতে পারে। 

কিছু সন্ধ্যা ব্যায়ামের উদাহরণ

০১। ইন্টার ভাল রানিংঃ  সন্ধার সময় ইন্টারভ্যাল রানিং করা ভালো হবে এটি দিনের শেষে শরীরের প্রস্তুতি প্রদান করতে সাহায্য করতে পারে এবং শারীর ক্ষমতা ও কার্ডিওভাসকুলার স্বাস্থ্য উন্নত করতে সাহায্য করতে পারে।

০২।  জমি বা স্টেপ আপঃ  এটি একটি সুস্থ শারীরিক আচরণ সাধারণভাবে সন্ধ্যায় পরিচালিত করতে সাহায্য করতে পারে। 

০৩। ইয়োগা বা পাইলেটিসঃ  প্রচুর উপাদানের মাধ্যমে আপনি শান্তিপূর্ণ এবং স্থির-মানসিক অবস্থা তৈরি করতে পারেন।

০৪। মেডিটেশন বা মাইন্ড ফুলনেসঃ  সন্ধ্যায় মেডিটেশন বা মাইন্ডফুলনেস প্রাকৃতিক পরিবর্তনে প্রশ্রয় সাহায্য করতে পারে এবং দিনটির জন্য আপনার মানসিক সান্তনা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে। 

০৫। ব্রিথিং এক্সারসাইজঃ  শক্তিশালী অমিতকে নিয়ন্ত্রণ করতে বা শারীরিক শক্তি নিয়ন্ত্রণ করতে ব্যবহার হতে পারে এবং সান্তনা বাড়াতে সাহায্য করতে পারে।

 সবোচ্চারিত ব্যায়াম অনুষ্ঠান করা হলে তাতে শরীর ও মানসিক স্বাস্থ্য উন্নত হতে পারে এবং দিনটি সান্তনামূলক সমাপ্ত হতে সাহায্য করতে পারে। 

ব্যায়াম করার সময় কোন কোন বিষয়গুলো সতর্ক থাকতে হবে

দিনের কোন কোন সময় ব্যায়াম করা উচিত
দিনের কোন কোন সময় ব্যায়াম করা উচিত

 ব্যায়াম করার সময় কিছু প্রস্তুতি এবং সতর্কতা অবলম্বন করা গুরুত্বপূর্ণ যেমন আপনি নিরাপদে এবং কার্যকর ভাবে ব্যায়াম করতে পারেন।

০১।  শরীরের শরীরকে দৌড়া নাঃ ব্যায়াম করার আগে শরীরের স্মৃতি পরীক্ষা করুন এবং যদি কোন অসুস্থতা বা   ব্যাধি থাকে তবে এটি একজন চিকিৎসককে জানানো গুরুত্বপূর্ণ।

০২। ভালো  খোকার বাড়িঃ উচ্চ কাকে বাড়ি, ভালো সাপোর্ট স্টিকারস এবং সময়ের সাথে ভালোভাবে খোকা ব্যবহার করুন।

০৩। উপুরের পোস্টার মেনে চলুনঃ আপনার শরীরে ধমনী কাতির্ণ এবং মাথা এক ধরনের থাকতে হবে যাতে কম চাপ এসে যায়।

০৪। অভ্যন্তরীণ অবস্থা মনিটর করুনঃ  ব্যায়াম করার সময় অভ্যন্তরীণ অবস্থা মনিটর করুন, যেন আপনি অতিরিক্ত চাপের জন্য পর্যাপ্ত সময় পান।

০৫। অধিক দুর্বল বা কতইগ্রস্ত জনসমূহের জন্য সতর্ক হোনঃ  যদি আপনি শারীরিক সক্রিয়তা সীমাবদ্ধ থাকেন বা কোন ক্ষতিগ্রস্ত অথবা অধিক দুর্বল শরীরে থাকেন, তাদের জন্য উপযুক্ত ব্যায়াম আবেগ করার আগে একজন চিকিৎসককে দেখান।

০৬। পর্যাপ্ত হাড়ে শীতলতা বজায় রাখুনঃ  ব্যায়াম করার সময় শীতলতা সংরক্ষণ করার জন্য পর্যাপ্ত পানি প্রয়োজন।

০৭। ক্ষতিগ্রস্ত জনসমূহের জন্য একজন পেশাদারের সাথে যোগাযোগ করুনঃ  কোন অসুস্থ বা ক্ষতিগ্রস্ত ব্যক্তির জন্য ব্যায়াম প্রস্তুতি করতে হলে একজন পেশাদারের সাথে যোগাযোগ করুন এবং পর্যাপ্ত ও পর্যাপ্ত পরামশর্শ নিন।

এই সতর্কতা গুলো মেনে চললে আপনি ব্যায়াম করার সময় সুরক্ষিত থাকতে পারেন।  ব্যায়াম করলে শরীরের প্রত্যেকটা অঙ্গ প্রতঙ্গি হারিয়ে কাজ করতে থাকে যার কারণে তারা ক্লান্ত হয়ে পড়ে।  আমাদের উচিত আমাদের শরীরের কার্যকারিতার উপর নির্ভর করে ব্যায়াম পরিচালনা করা এবং একজন পেশাদার পরিচালকের পরামর্শ অনুযায়ী সব সময় ব্যায়াম করা।  ব্যায়াম করার সময় শরীর চেকআপ করে নেওয়া ভালো, তা না হলে যে কোন সমস্যা সম্পর্কে হতে হবে।

শারীরিক শিক্ষা কাকে বলে

খেলাধুলা

দার্জিলিং

তাজমহল

ব্যায়ামের উপকারিতা ও অপকারিতা

প্রতিদিন কি কি ব্যায়াম করা উচিত

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *