দার্জিলিং

 দার্জিলিং সমপর্কে গুরুত্বপুর্ণ তথ্য

ভারতের পশ্চিমবঙ্গ রাজ্যের একটি পৌরসভা ও জেলা শহর হচ্ছে দার্জিলিং। এটি নিম্ন হিমালয় থেকে ৭১০০ ফুট উপরে অবস্থিত। এর প্রধান প্রশাসন ক্ষমতা পশ্চিমবঙ্গ পরিচালনা করলেও  স্থানীয় সরকার প্রশাসনের আংশিক স্থানীয় স্বায়ত্ব শাসনের ক্ষমতা রয়েছে। এই শহরের প্রধান আকর্ষণ হচ্ছে কাঞ্চনজঙ্ঘা এবং টাইগার  হীলের অনুপ সৌন্দর্য যা দেখার জন্য প্রতিবছর প্রচুর পরিমাণে দর্শনার্থী এখানে ভ্রমণ করে থাকে।

দার্জিলিং
দার্জিলিং

দার্জিলিংয়ের প্রকৃতি অনেক সুন্দর হবে সাজিয়েছে। ভ্রমণ পিপাসু মানুষের নিকট  একটি খুবই সুন্দর এবং আকর্ষণীয় ভ্রমণের জায়গায়। দার্জিলিং নামটি তিব্বতীয় দোর্জে শব্দ থেকে এসেছে, যার অর্থ বজ্রধ্বনি। এই অঞ্চলটি চা বাগান ও রেলপথের জন্য বিখ্যাত।

০২। ব্রিটিশরা এখানে কি করেছিলঃ

ঊনবিংশ শতাব্দি শুরুর দিকে ব্রিটিশ যখন ভারতে উপনিবেশের সৃষ্টি করে তখন তারা  দার্জিলিংয়ে একটি প্রশাসনিক ডিপো স্থাপন করার পর এর ইতিহাস লিখিত রূপে পাওয়া যায়। এখানে ব্রিটিশরা প্রচুর চাপ বাগান তৈরি করেন এবং সেখানে নতুন এক ধরনের চা উৎপাদন করে যা শংকর চা হিসেবে পরিচিতি লাভ করে।

দার্জিলিং
দার্জিলিং

এই কালো গাজল প্রক্রিয়ায় তৈরি করা হতো।  সেটি আন্তর্জাতিকভাবে বেশ  খ্যাতি লাভ করে। এই কালোচা বিশ্বজুড়ে এক নতুন বাজারের সৃষ্টি করে এবং জনপ্রিয়তার অনেক উপরে উঠে যায়।  অর্থনীতি অর্থনৈতিকভাবে এখন উন্নতি লাভ করতে থাকে।  কালো থেকে ব্রিটিশ মনে করা অর্জন করতে থাকে। এই কালো চা এক সময় বিশ্বজুড়ে ব্যাপক চাহিদার তৈরি হয়। হিমালিয়ান দার্জিলিং রেল স্টেশন এই শহরকে সমতলের সাথে যুক্ত করেছে।  বর্তমানে যে কোটি বাষ্প চালিত ইঞ্জিন সচল আছে সেগুলো এই হিমালিয়ান রেলের অংশ। 

এখানে রয়েছে অনেক সুন্দর পর্বত ও উপত্যকা। কাঞ্চনজঙ্ঘা সিকিমে উপস্থিত হলেও এর সৌন্দর্য সবচেয়ে বেশি উপভোগ করা যায় এই জায়গায় থেকে।  কাঞ্চনজঙ্ঘার সবচেয়ে সুন্দর ভিউ েএখান থেকে দেখা যায়।  তাই অনেকেই কাঞ্চনজঙ্ঘা সুন্দর এবং মনোরমভাবে দেখার জন্য সিকিমের পরিবর্তে এখানে এসে  ভিড় করে। 

দার্জিলিং
দার্জিলিং

০৩। এই স্থানটি কাদের নিকট প্রিয় ছিলঃ

এই শহর শুধু বাঙালিদের নিকটেই প্রিয় ছিল না তা ব্রিটিশদের কাছে খুবই প্রিয় ছিল।  যখন বেশি গরম পড়তো তখন গরমের হাত থেকে বাঁচার জন্য ব্রিটিশরা এই শহরে  চলে যেত।  সেখানে তারা সময় কাটানোর জন্য দার্জিলিংকে অনেক সুন্দর করে সাজিয়েছিল। সেই আদিকাল থেকে এই শহরের সুন্দর এখনও একটুকুও ম্লান হয়নি।  সুদূর অতীতকাল  চিরজীবন এখনো সুন্দর ভাবে ধরে রেখেছে।  গরমের হাত থেকে বাঁচার জন্য অনেকেই এখানে ভ্রমণ করে থাকে। গরমে  সময় যদি  একটু শান্তি প্রয়াস পেতে চান তাহলে ঘুরে আসতে পারেন।

০৪। এখানকার দর্শনীয় স্থানগুলো হচ্ছেঃ

০১। শান্তি  প্যাগুডা

০২। জাপানি বৌদ্ধ মন্দির

০৩। ঘুম বন্ধু  মনেস্ট্রি

০৪। লাউডস বোটানিক্যাল গার্ডেন

০৫। লেবং রেসকোর্স,ধীর ধাম মন্দির

০৬। বেঙ্গল ন্যাচারাল হিস্ট্রি মিউজিয়াম

০৭। ভুটিয়া বস্তি  মনাস্ট্রি

০৫।  যে বিষয়গুলো অবশ্যই আপনার মাথায় রাখতে হবি সেগুলো হলোঃ

০১। কিছু খেতে চাইলে পড়বে দাম জেনে নিবেন।

০২। দলবেঁধে গেলে ভালো হয় আপনার খরচ কমে যাবে।

০৩। পানিতে নামার সময় সতর্ক থাকুন যদি সাতার জানেন তাহলে নামবেন না হয় ভালো।কোন কিছু কিনতে হলে অবশ্যই ভালো করে দরদাম জেনে দামোদামি করে নিবেন।

০৪। গাড়ি ভাড়া করার সময় প্রকৃত ভাড়া জেনে নিবেন। 

০৫। স্থানীয় লোকদের সাথে ভালো আচরণ করুন তাহলে তারা আপনাকে সহযোগিতা মূলক আচরণ করবে।

০৬। এলাকার এর ক্ষতি হয় অথবা প্রকৃতির ক্ষতি হয় এমন কাজ করা থেকে বিরত থাকুন। 

 সিলেটের প্রাচীন নিদর্শন আলী আমজদের ঘড়ি