দার্জিলিং কি কি দেখতে পাওয়া যায়

দার্জিলিংয়ে পায়ে হেটে যেসব জিনিস দেখতে পাওয়া যায়

দার্জিলিংয়ের আকর্ষণীয় দুটি জিনিস হচ্ছেচা এবং টয় ট্রেন। তবে ট্রেনের অপর নাম দার্জিলিং হিমালয়ান রেলওয়ে। এই হিমালয়ান রেলওয়ে ১৮৭৯ থেকে  ১৮৮১ সালে মধ্যে নির্মিত হয়েছিল। ইউনেসকো ১৯৯৯ সালে  এই স্থানকে বিশ্ব ঐতিহ্যের স্থান হিসেবে ঘোষণা করে। 

দার্জিলিং
দার্জিলিং

পায়ে হেঁটে যা যা দেখতে হয়ঃ

দার্জিলিঙে কিছু জায়গা পায়ে হেঁটে দেখতে হয় সেখানে গাড়ি বা অন্য কিছু যাওয়ার জন্য তেমন কোন জায়গা না থাকায় সেখানে পায়ে হেঁটে পথ অতিক্রম করতে হয়। 

চোরাস্তা মূল ক চৌরাস্তমূল দার্জিলিংয়ের প্রাণকেন্দ্রে উপস্থিত।  এই জায়গায় মানুষের বসার জন্য খোলা জায়গায় চেয়ার বেঞ্চ এবং খোলা মঞ্চ বাড়ানো হয়েছে।  এখানে বিভিন্ন অনুষ্ঠানের উপলক্ষে সব সময় কোন না কোন অনুষ্ঠান হয়ে থাকে।

চৌরাস্তা মল
চৌরাস্তা মল

এখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার মনোরম দৃশ্য উপভোগ করা যায়।  কাঞ্চনজঙ্ঘার মনোরম দৃশ্য দেখতে দেখতে আপনার কখন যে সময় পুড়িয়ে যাবে তা আপনি বুঝতে পারবেন না।  তাই প্রিয়জনদের সাথে নিয়ে এখান থেকে ঘুরে আসতে পারেন।  এখানে কেনাকাটা করার জন্য অনেক দোকানপাট রয়েছে। স্থানীয় দোকানের পাশাপাশি গিফটের দোকান রেস্টুরেন্ট চায়ের দোকান কিউরি  সপ  রয়েছে। চৌরাস্তা উদ্ধার মুখী রয়েছে একটি সুন্দর ঝর্ণা সেখানে সকাল বেলার রঙ্গির জন্য দেখতে এবং পাখির কিচিরমিচির শব্দ শুনতে খুবই ভালো লাগে।স্থানটির নাম চৌরাস্তা হওয়ার মূল কারণ হলো এখানে চারটি রাস্তা এসে একসাথে মিশেছে। 

সেন্ট অ্যান্ড্রিউ চার্চ

 চৌরাস্তা আমলের কিছু দূরে রয়েছে সুন্দর স্থাপত্য শিল্পের অনন্য নিদর্শন সেন্ড এনডিও চার্জ। ইস স্থাপত্য শিল্প প্রাচীন শিল্পকলার একটি অনন্য নিদর্শন। ব্রিটিশ অনন্য শিল্প কল্যাণ নিদর্শন হচ্ছে এই চার্চ এর  ক্লক টাওয়ারটি। কথিত আছে এই টাওয়ারের ঘন্টা সম্পূর্ণ দার্জিলিং শহরে শোনা যেত।  ১৮৬৭ সালে এই চার্জে বজ্রপাতের কারণে ব্যাপক ক্ষয়ক্ষতি হয়ে ছিল।

সেন্ট অ্যান্ড্রিউ চার্চ
সেন্ট অ্যান্ড্রিউ চার্চ

১৮৭৩ সালে চার চাচ আবার পুরনো নির্মাণ করা হয়। লেফটেন্যান্ট জেনারেল জর্জ ডব্লিউ আইলমার লয়েডের সমাধি স্তম্ভটি হল এখানকার সবচেয়ে দর্শনীয় স্থান।ভারত কর্তৃক স্থানটিকে হেরিটেজ স্ট্রাকচার বলে ঘোষণা করা হয়েছে।  এই চার্জে ঢুকার প্রতিদিন কোন নিয়ম নেই তবে রবিবার সকাল ৯ টা থেকে ১১ টা পর্যন্ত সবার জন্য খোলা থাকে।  বাইরে থেকে চাচ সবাই দেখতে পারে।

অব সাভের্ন্টরি হিল

 চোরাস্তা মূল্যের একটু সামনে এগিয়ে উঁচুতে ওঠার জন্য পাথরের যে সিঁড়ি রয়েছে এই সিঁড়ি দিয়ে উপরে উঠে যে পাহাড়ি এলাকাটি পাওয়া যায় সেটিকে অফ সার্ভেন্টরি হিল বলে।  এর চারপাশ মল দিয়ে ঘেরা।

অব সাভের্ন্টরি হিল
অব সাভের্ন্টরি হিল

এখানে বেশ কিছু ভিউ পয়েন্ট রয়েছে। এখান থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘার দৃশ্য উপভোগ করা যায় সহজে তবে যদি আকাশ পরিষ্কার থাকে তাহলে সকালে সুন্দর দেখা যায়। 

মহাকাল মন্দির

অফ সার্ভেদরি হিলের ওপরে বর্তমান শতাব্দীর সবচেয়ে প্রাচীর একটি মন্দির হল মহাকাল মন্দির। এ মন্দির হিন্দু এবং বৌদ্ধ উপায় প্রার্থনা করে। যদিও ম মন্দিরটি হিন্দু দেবতা শিবের নামে। এখানে বিভিন্ন রঙের পতাকা দেখে অনেকেই এটিকে ভুক্ত মোট মনে করে থাকে। তবে এটি আসলে একটি মহাকাল মন্দির।

মহাকাল মন্দির
মহাকাল মন্দির

মন্দিরের মূল উপাসনার বিষয় হলো ভগবান শিব বা মহাকাল এবং তিনটি সোনালী রঙের শিবলিঙ্গ এখানে পূজা করা হয়ে থাকে।  তাদের প্রচলিত বিশ্বাস অনুযায়ী এই শিব লিঙ্গ গুলো পাহাড়ের চূড়ায় স্বয়ং প্রকট হয়েছিলেন, যা স্বয়ম্ভ শিবলিঙ্গের প্রতি বলে মানা হয়।

লয়েড বোটানিক্যাল গার্ডেন

চৌরাস্তা থেকে একটু দূরেই পায়ে হাঁটার দূরত্বে লয়েড বোটানিক্যাল গার্ডেন।  ১৮৭৮ সালে উইলিয়াম লয়েড বোটানিক্যাল গার্ডেন তৈরির জন্য চল্লিশ একর জমি দিয়েছিলেন।

লয়েড বোটানিক্যাল গার্ডেন
লয়েড বোটানিক্যাল গার্ডেন

তার জমি দান করার জন্য তার নামেই এই গার্ডেনের নাম করা হয়েছে  লয়েড বোটানিক্যাল  গার্ডেন। এই গার্ডেনে প্রায় ২৫০০ প্রজাতির গাছ রয়েছে।

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *