ছবিটি জুম করে দেখুন মে’ য়েটি কি করছে

ছবিটি জুম করে দেখুন মে’ য়েটি কি করছে

০১

মিনার বাবা মিনার রেজা সরকার আনতে স্কুলে গেলেন। স্কুলে গিয়ে শ্রেণী শিক্ষককে বললেন মাফ করবেন আমার মেয়ে মনে হয় এবারও পরীক্ষা শূন্য হয়েছে। 

শিক্ষকঃ না না আপনি ভুল বলছেন  আপনার মেয়ে এবার স্কুলে এক বিশেষ রেকর্ড অর্জন করেছে।

বাবাঃ  তাই নাকি?  তাহলে আমার মেয়ে কততম হয়েছে? 

শিক্ষকঃ  মীনা এবার পরীক্ষা খাতায় এমন এক লেখালেখি যে সবাই তাকে ১০ বিষয়ে ১০০  ১০০ নম্বর করে মোট ১০০০ নম্বর দিয়েছে ।

বাবাঃ  শিক্ষকরা তাকে কেন এত নম্বর দিয়েছেন, আমাকে একটু বলববেন?

শিক্ষকঃ  শিক্ষকদের আর কি দোষ বলেন! মিনা প্রতিটি খাতা লিখেছে ,শূন্যের বদলে আমাকে দয়া করে যে কোন একটি নাম্বার দিন। তাই আমাদের শিক্ষকেরা দয়া করে ১০০ করে  মোট ১০০০ নাম্বার  দিয়েছে। 

০২

একদিন তৃতীয় শ্রেণীর এক ছাত্রী প্রথম দিন পরীক্ষা যাওয়ার আগে সব করা ভালো করে পড়ে ও লিখে গেল।  পরীক্ষা থেকে আসার পর তার মায়ের সাথে  আলাপ আলোচনা হলো

 

মাঃ  তোমার পরীক্ষা কেমন হয়েছে?  সব কমেন্ট পড়েছে তো?

ছাত্রীঃ  না মা পরীক্ষায়  ভালো দিতে পারিনি তবে পরীক্ষায় অনেক কিছু লিখে এসেছি।

 মাঃ যাই হোক জীবনের এই প্রথম পরীক্ষা কিছু লিখে আসলি।  পাস নম্বর উঠবে তো। 

ছাত্রীঃ না, মা।

 মাঃ কেন তুই না বলেছিস, অনেক কিছু লিখেছিস।

ছাত্রীঃ হ্যাঁ লেখাগুলো ঠিক হয়েছে কিনা তা দেখার জন্য খাতায় বাড়িতে নিয়ে এসেছি। আগামী কালকে জমা দিয়ে দিব।

০৩

শিক্ষক আইনস্টাইনের আলোর গতির উপর ক্লাস নিচ্ছেন

 শিক্ষকঃ  অমি বলতো আইনস্টাইন কিভাবে আলোর গতি পরিমাপ করলেন?

 অমিঃ স্যার আমার মনে হয় আলো যেহেতু অনেক বড় জিনিস মানে বিশাল জিনিস তাই আইনস্টাইন প্রথমে একটা ২০০গজের ফিতা  নিয়ে আলোর গতি  মেপেছিল।

 শিক্ষকঃ  বাহ বাহ 

রুবিঃ হয় নি স্যার, উনি কি ধরনের গাধা চিন্তা করেন।  আলো কি আর জামা কাপড়, যে ফিতা দিয়ে মাপবো। আলো হইলো আলুর মতন ভারী। তাছাড়া তখন গজ ফিতা আবিষ্কার হয়নি। তাই মাথা মাপের কাছে তখন দাড়িপাল্লা ছাড়া অন্য কোন উপায় ছিল না। বলেন স্যার, আপনিই বলেন?

শিক্ষকঃ আহ! তোরা একদিন আইনস্টাইনকেও ছাড়িয়ে যাবে । বাহ!

০৪

এক মেয়ে ক্লাসের মধ্যে ঝিমুছিল।

শিক্ষকঃ এসে বলল এই মেয়ে  দাঁড়াও। বলো আকবর কে?

 ছাত্রীঃ জানিনা স্যার।

শিক্ষকঃ  জানবে কি করে, ক্লাসের মধ্যে মনোযোগ দাও । তাহলে জানতে পারবে।

 ছাত্রীঃ  স্যার বলেন তো,বল্টু কে?

শিক্ষকঃ  জানিনা উনি কে?

 ছাত্রীঃ  জানবেন কি করে?  আপনার মেয়ে দিকে নজর দেন, তাহলে জানতে পারবেন।

০৫

স্কুল শিক্ষক ক্লাসের বাইরে বসে একটু বিশ্রাম নিয়েছিলেন। 

এমন সময় একজন ছাত্রী এসে বিনয়ের সাথে বলল  স্যার নদীতে কুলি ফেলে এসেছি।  এখন মাফ চাই স্যার। 

স্যার বললেন, এ আর এমন কি বিষয় নদীতে কুলিয়ে ফেললে সামান্য একটু ময়লা  তো হতেই পারে, ঠিক আছে যাও। 

 তারপর আর একজন ছাত্রী এসে বলল স্যার নদীতে কুলি ফেলে এসেছি তার জন্য মাফ চাই। 

শিক্ষক বললেন ঠিক আছে যাও।  তৃতীয়তৃতীয় ছাত্রী  স্যার কে এসে বললেন স্যার নদীতে কুলি পেলে এসেছি তার জন্য মাফ চাই শিক্ষক বললেন ঠিক আছে যাও।

একটু পরে চতুর্থ একজন শিক্ষকের কাছে আসলো। 

শিক্ষক বলল তুমিও কি নদীতে খুলে ফেলে এসেছো।  এটি রাগেশ্বরী বলল।  আমিই  কুলি। সামনের রেল স্টেশনে  কুলির কাজ করি। 

তিনজন বদমাইশ মেয়ে আমাকে নদীতে ধাক্কা মেরে ফেলে দিয়ে এসেছে।  এরা এদিকে এসেছে আপনি কি এদের দেখেছেন?

শারীরিক শিক্ষা কাকে বলে

খেলাধুলা

দার্জিলিং

তাজমহল

 

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *