আদমপুর বন

আদমপুর বন

সিলেটের দর্শনীয় স্থানগুলোর মধ্যে সিলেট বন বিভাগের অধীনে থাকা আদমপুর হচ্ছে অন্যতম।  আদমপুর মৌলিবাজার জেলার কমলগঞ্জ উপজেলার রাজকান্দি সংরক্ষিত একটি বনাঞ্চল।  এই মৌলভীবাজারের সংরক্ষিত অবনা অঞ্চলের একটি বিটের নাম আদমপুর। আদমপুর বনটি ভারতের ত্রিপুরা রাজ্যের সীমান্ত ঘেষা একটি বন। জীবনের আয়তন ১৩হাজার ৮০০ একর। এই বোনটি সীমান্ত কাছাকাছি হওয়ায় এখানে লোকসমাগম খুব কম, যার কারণে বনটি খুবই নির্জন। আদমপুর বনের পাশে আছে কাশিয়া পুঞ্জি।  খাসিয়াদের প্রধান জীবিকার মাধ্যমে হচ্ছে এই বোন। 

আদমপুর বন
আদমপুর বন

খাসিয়ারা বনে পান সহ বিভিন্ন জিনিস উৎপাদন করে থাকে। আদমপুরে যাওয়ার আগে রাস্তার দুই পাশে আছে আগরবাগান। আদমপুর জঙ্গলটি মূলত একটি টিলা  বেষ্টিত জঙ্গল। আদমপুর জঙ্গলে গেলে বড় বড় গাছ দেখা যায়। গাছের নিচ দিয়ে তৈরি হয়েছে রাস্তা। আদমপুর বনে দুই পাহাড়ের মাঝখান দিয়ে যাওয়ার সময় চোখে পড়বে বানর, মুখ পুরা হনুমান, চশমা হনুমান, উল্লুক, মায়া হরিণ সহ অনেক ধরনের পাখি ও প্রাণী

আদমপুর বন
আদমপুর বন

মৌলভীবাজার থেকে আদমপুর যাওয়ার উপায়ঃ

 মাধবকুণ্ড জলপ্রপাত মৌলভীবাজার জেলা শহর থেকে কুলাউড়া, জুড়ী, কাঠালতলী হয়ে ৭০ কিলোমিটার দূরে উপস্থিত। মৌলভীবাজার থেকে গাড়িতে এবং কুলাউড়াস থেকে ট্রেনে মাধুকুণ্ড জলপ্রপাত যাওয়া যায়।  যাবার সময় অনেক সুন্দর নয়না বিরাম চা বাগান আপনার চোখে পড়বে।

ঢাকাতে কি সিলেটে বিভিন্ন উপায়ে যাওয়া যায় সাধারণত বাস বিমানে আপনি যেতে পারেন। মহাখালী সায়েদাবাদ ফকিরাফুল থেকে এসে আলম, সৌদিয়া, শ্যামলী ও গ্রীন লাইন যেতে পারেন। এর ভাড়া বিভিন্ন রকম হয়ে থাকে ।সাধারণত এসি ১২০০ থেকে ১৪০০ টাকা আর নন এসি বাস ৫০০ থেকে ৭৫০ টাকার মতো ভাড়া হয়ে থাকে আপনি যদি ঢাকা থেকে খুব কম সময়ে এবং আনন্দের একটি পরিবারে যেতে চান তাহলে আপনাকে অবশ্যই বিমান বা এরোপ্লেন নিয়ে যেতে হবে। শাহজালাল আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর থেকে সিলেট বিমান উদ্দেশ্যে বিভিন্ন বিমান চলে আসে। এই বিমানে সাধারণত ভাড়া ৩,৫০০ থেকে ১০,০০০ টাকা মূল্যের হয় থাকে।

শাহপরান(রঃ) মাজার

ঢাকার মতই চট্টগ্রাম থেকে সিলেটে আসার পথ একই রকম। আপনি যদি চট্টগ্রাম থেকে ট্রেনে সিলেট আসতে চান ,তাহলে উদয়ন এক্সপ্রেস বা পাহাড়িকা প্রতি সপ্তাহে ছয় দিন চলাচল করে অথবা আপনি বিমানে আসতে পারেন ।

মাধবকুন্ড জলপ্রপাত
আদমপুর বন

 

আদমপুর কোথায় থাকবেন

  সিলেটের হোটেলগুলো মাজার এলাকার আশেপাশে ,বন্ধর, অম্বর খানা এসব এলাকায় উপস্থিত। হোটেলের কোয়ালিটি এর প্রতি সিট ভাড়া ৫০০ থেকে ১০ হাজার টাকার মধ্যে হয়ে থাকে।  আপনি যদি আরো ভালো কোয়ালিটির হোটেল তিরিশ হাজার টাকা পর্যন্ত ভাড়া হয়ে থাকে। আপনি যদি জাফলং থাকতে চান তাহলে মামার বাজার এলাকায় বেশ কিছু হোটেল রয়েছে। এগুলোতে সুলভ মূল্যে আপনি রাত কাটাতে পারেন। সুনামগঞ্জে থাকতে চাইলে সেখানে কিছু ভালমানের হোটেল রয়েছে।

আর সেখানে সরকারি রেস্ট হাউজ রয়েছে যেগুলোতে আপনাকে থাকতে হলে পড়বে অবশ্যই অনুমতি নিতে হবে। 

লক্ষনছড়া ঝর্ণা

সিলেটের দর্শনীয় স্থান

 জাফলং এর দর্শনীয় স্থান গুলোর মধ্যে রয়েছে-

০১। তামাবিল

০২। লালা খাল

০৩। সংগ্রামপুঞ্জি ঝর্ণা/ মায়াবী ঝর্ণা 

০৪। জৈন্তাপুর

০৫। ডিবির হাওরের শাপলা বিল

০৬। সংগ্রামপুঞ্জির চা বাগান

পান্থুমাই ঝর্ণা

০১। কিছু খেতে চাইলে পড়বে দাম জেনে নিবেন।

০২। দলবেঁধে গেলে ভালো হয় আপনার খরচ কমে যাবে।

০৩। পানিতে নামার সময় সতর্ক থাকুন যদি সাতার জানেন তাহলে নামবেন না হয় ভালো।কোন কিছু কিনতে হলে অবশ্যই ভালো করে দরদাম জেনে দামোদামি করে নিবেন।

০৪। গাড়ি ভাড়া করার সময় প্রকৃত ভাড়া জেনে নিবেন। 

০৫। স্থানীয় লোকদের সাথে ভালো আচরণ করুন তাহলে তারা আপনাকে সহযোগিতা মূলক আচরণ করবে।

০৬। এলাকার এর ক্ষতি হয় অথবা প্রকৃতির ক্ষতি হয় এমন কাজ করা থেকে বিরত থাকুন। 

 সিলেটের প্রাচীন নিদর্শন আলী আমজদের ঘড়ি

পান্থুমাই ঝর্ণা

লক্ষনছড়া ঝর্ণা

শাহপরান(রঃ) মাজার

সিলেটের বিছনাকান্দিতে কিভাবে ভ্রমন করবেন

সুনামগঞ্জের টাঙ্গুয়ার হাওরে যে সব ধরনের মাছ পাওয়া আয়।

সুনামগঞ্জের লাল কার্ড ঝরণাটি কিভাবে দেখেতে যাবেন।

সুৃনামগঞ্জের বডার হাট কখন ও কোথায় বসে

2 thoughts on “আদমপুর বন

Leave a Reply

Your email address will not be published. Required fields are marked *